রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের নেত্রী প্রীতি চৌধুরীকে নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে প্রীতির সমর্থনে অবস্থান নিয়েছেন রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রীতি চৌধুরীর রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজশাহী মহানগর শাখার পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়া। ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সঙ্গে প্রীতির অতীত ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলে তাকে সুযোগসন্ধানী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টা বক্তব্য দেন প্রীতি চৌধুরী। তিনি প্রিয়ার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে দাবি করেন, ব্যক্তিগত বিষয়কে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রীতিও প্রিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকা ও মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি দুজনের কথোপকথনসংক্রান্ত আরও কিছু তথ্য ও পর্দার আড়ালের বিষয় প্রকাশের ইঙ্গিত দেন তিনি।
এদিকে, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনে রাজশাহী কলেজে প্রীতি চৌধুরী সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন বলে দাবি করছেন তার সমর্থকেরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে জুলাইযোদ্ধা আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন পোস্টও দেওয়া হচ্ছে।
পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে প্রীতির পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাশিকুজ্জামান প্রীতমসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রীতম দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহী কলেজে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে প্রীতি চৌধুরী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ভয়ভীতি বা ব্যক্তিগত আক্রমণের মাধ্যমে কোনো প্রতিবাদী কণ্ঠকে থামানো যাবে না। প্রীতি চৌধুরীসহ সব ছাত্রীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় তারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।
এরপর রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রীতির সমর্থনে সরব হন। তারা ব্যক্তিগত আক্রমণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানির নিন্দা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রীতি চৌধুরীর রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজশাহী মহানগর শাখার পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়া। ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সঙ্গে প্রীতির অতীত ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলে তাকে সুযোগসন্ধানী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টা বক্তব্য দেন প্রীতি চৌধুরী। তিনি প্রিয়ার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে দাবি করেন, ব্যক্তিগত বিষয়কে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রীতিও প্রিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকা ও মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি দুজনের কথোপকথনসংক্রান্ত আরও কিছু তথ্য ও পর্দার আড়ালের বিষয় প্রকাশের ইঙ্গিত দেন তিনি।
এদিকে, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনে রাজশাহী কলেজে প্রীতি চৌধুরী সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন বলে দাবি করছেন তার সমর্থকেরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে জুলাইযোদ্ধা আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন পোস্টও দেওয়া হচ্ছে।
পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে প্রীতির পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাশিকুজ্জামান প্রীতমসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রীতম দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহী কলেজে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে প্রীতি চৌধুরী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ভয়ভীতি বা ব্যক্তিগত আক্রমণের মাধ্যমে কোনো প্রতিবাদী কণ্ঠকে থামানো যাবে না। প্রীতি চৌধুরীসহ সব ছাত্রীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় তারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।
এরপর রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রীতির সমর্থনে সরব হন। তারা ব্যক্তিগত আক্রমণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানির নিন্দা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানান।
তবে এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের বাইরে ব্যক্তিগত আক্রমণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রাখার বিষয় নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উভয় পক্ষের দেওয়া অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক